শিআ একটি ভয়ংকর মতবাদ (পর্বঃ ১-১২)

সকল প্রশংসা এক আল্লাহর জন্য, অতঃপর অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ও তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সঙ্গী-সাথীদের উপর।

আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি যে, মুসলিম ছদ্মবেশী রাফেযী বা শিয়া সমপ্রদায়ের কার্যক্রম ও তাদের ভ্রান্ত মতবাদের দাওয়াত ইসলামী বিশ্বে দিনদিন বেড়েই চলছে। খুব সম্ভব অদূর ভবিষ্যতে খাঁটি মুসলমানের বৃহৎ একটি জামাত তাদের দ্বারা প্রতারিত হবে, যদি না আমরা তাদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সোচ্চার হই এবং মুসলিম জনসাধারণকে তাদের ভ্রান্ত আকিদা সম্পর্কে অবহিত করি। ছদ্মবেশ ও বাহ্যিক আচরণের কারণে অনেকেই তাদেরকে মুসলিম মনে করে, কিন্তু তাদের অন্তরে নিহিত শিরক, কুরআন সম্পর্কে সংশয়, সাহাবা বিদ্বেষ এবং তাদের কথিত ইমামগণের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘন সম্পর্কে খুব লোকেই জানে। তাই তাদের মুখোশ উম্মোচন ও মুসলিম জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য এ গ্রন্থ রচনার প্রয়োজন অনুভব করি এবং তাদের কিছু সংশয়ের জবাব দেয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করি।

এ ময়দানে আমি শায়খ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ. রচিত

التعليقات على متن لمعة الاعتقاد

এবং রাফেযী শিয়াদের বহুল প্রচলিত কিছু বই ও অন্যান্য মুসলিম মনীষীদের লেখনির শরণাপন্ন হয়েছি, যারা ছিলেন শিয়া বিশেষজ্ঞ এবং যারা নিজেদের লেখনির মাধ্যমে শিয়াদের শিরক, মিথ্যাচার, গালমন্দ, বিদ্বেষ, সমালোচনা ও তাদের কথিত ইমাম সম্পর্কে বাতিল ধ্যান-ধারণার অসারতা প্রমাণ করেছেন। আমি অতি শালীন ও ভদ্র ভাষায় তাদের নিকট গ্রহণযোগ্য পুস্তকের আলোকে তাদেরকে দীন শেখাতে চেষ্টা করেছি। যেমন শায়খ ইবরাহীম বিন সুলাইমান আল-জাবহান রহ. বলেন: হে শিয়া আস, আমি তোমার দ্বারাই তোমাকে দীন শেখাব।”

মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার এ সামান্য প্রয়াস দ্বারা বিবেকমানদের সঠিক ও সরল পথে চলার তাওফীক দান করেন। যেমন তিনি ইরশাদ করেন :

“নিশ্চয় এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্য, যার রয়েছে অন্তর অথবা যে নিবিষ্টচিত্তে শ্রবণ করে।” সূরা কাফ : (৩৭)

আমরা এখানে ধারাবাহিকভাবে এই শি’আ মতবাদ ও তার ভয়ংকর দিক গুলো দালীলের মাধ্যমে তুলে ধরব যেন আমরা এদের ধোকায় না পড়ি। আল্লাহ আমাদের এই ফির্কাহ থেকে হেফাযাত করুন এবং দু’আ করি এদের মুখোশ উম্মোচন করে মুসলিম জাতি যেন তার ঈমান রক্ষা করতে পারে।

অধ্যায়ঃ