বিদ’আত

আভিধানিক অর্থেঃ ঐ সকল নতুন সৃষ্টি, যার কোন পূর্ব দৃষ্টান্ত ছিলনা।

শারঈ অর্থেঃ বিদআত হল নতুন সৃষ্টি। আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভের উদ্দেশে শরীয়তের নামে নতুন কোন প্রথা চালু করা,যা শরীয়তের কোন সহিহ দলীলের উপর নির্ভরশীল নয়।

পারিভাষিক অর্থেঃ সুন্নাতের বিপরীত বিষয়কে বিদআত বলে।

এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ

قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُم بِالْأَخْسَرِينَ أَعْمَالًاالَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا

“বল হে নাবী আমলের দিক দিয়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের কথা কি তোমাদের বলব ?তারা হচ্ছে এমন লোক,যাদের যাবতীয় চেষ্টা সাধনাই দুনিয়ার জীবনে বিভ্রান্ত হয়ে গেছে আর তারাই মনে মনে ধারনা করে যে,তারা খুবই ভাল কাজ করেছেন।”    [সুরা ক্বাহাফঃ ১০৩-১০৪]

বিদআত এর সুচনা লগ্নঃ

বিদা’আত মুলত প্রাচীন একটি বিষয় যা নুহ(আঃ) এর কওমের নিকট থেকে উৎপত্তি হয়েছে। ঘটনাটি নিম্নরুপঃ

ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে এরা ছিলেন নুহ(আঃ) এর পুর্বের নেকবান্দারা। তাদের সততার জন্য লোকজন তাদের ভালোবাসত। একদিন তারা মারা গেল তাদের কবর দেয়া হলো। সবাই খুব মন খারাপ আর বিষন্ন তাদের হারিয়ে। তাই হঠাৎ ইবলীস(শয়তান) এসে ঐ গোত্রের লোকদের বললঃ তোমরা কি তোমাদের এই নেক বান্দাদের স্মরন করতে চাও না? এক কাজ কর আমি ওদের চেহারার মুর্তি স্মৃতিস্তম্ভে বানিয়ে দেই তোমরা সময়ে সময়ে গিয়ে সেখানে তাদের দেখে আসবে।’ এরপর সবাই রাজি হল। আবার বছর খানেক পর ঈবলীস এসে কুমন্ত্রনা দিয়ে বললঃ আরে তোমরা এত কষ্ট করে এতদুরে ওদের স্মৃতিস্তম্ভে যাও!! বরং তোমরা তোমাদের ঘরে ওদের মতো মুর্তি তৈরি করে স্মরন করলেই হল।’ সবাই তো মহাখুশিতে ঘরে ঘরে মুর্তি বানিয়ে সুবিধা মতো করে মৃতদের স্মরন করে। এবার কয়েক প্রজম্ম পর যখন সবাই ভুলে গেল কি কারনে ঐ মুর্তি রাখা হত তাই আবার ইবলীস এসে ঐ লোকদের সন্তানদের কাছে বললঃ হায়! হায়! তোমরা কি কর! তোমাদের মা-বাবা, পুর্বপুরুষরা তো এদের কাছে রিযিক চাইতো আর ওদের কাছে মাথা নোয়াতো (সিজদাহ)’ তখন ঐ জাহেল লোকেরা শায়তান এর ধোকায় পড়ে ঐ নেকবান্দা দের পুজা করা শুরু করল। আর আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসুল নুহ(আঃ) কে পাঠালেন। ” [ফাতহুল বারী-পৃঃ ৬-৭,আল্-বিদায়া ওয়ান নিহায়া-প্রথম খন্ড ]

 দেখুন কিভাবে আল্লাহর সন্ন্তষ্টি লাভের আশায় পুর্বের লোকেরা না জেনে মনগড়া ওয়াসীলার জন্য নতুন ভ্রান্ত পথ আবিষ্কার করেছিল!!! এটাই মুলত বিদ’আত।

সব বিদআতই বিদআতঃ

রসুল(সঃ) বলেনঃ

অর্থঃ নিশ্চয়ই সর্বত্তোম বানী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোতম আদর্শ মুহাম্মাদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো (ইসলামের মধ্যে) নতুন আমাল বা বিষয় ঢোকানো।আর সকল নতুন আবিষ্কৃত বিষয় (যা সাওয়াবের আশায় করা হয় কিন্তু রসুল (সঃ) তা করেন নি বলেন নি) তা বিদা’আত, প্রত্যেক বিদা’আত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিনাম জাহান্নাম। [সাহীহ মুসলিম,নাসায়ী]

كُلُّ        অর্থঃ  প্রত্যেক, সব।

এখানে কোন পার্থ্যককারী বিষয় নেই। এখানে নেই কোনঃ বিদাআতে হাসানা বা বিদাআতে সায়্যিয়াহ

  বিদআত সম্পর্কে রসুল(সঃ) এর সতর্কবানীঃ

রসুল(সঃ) এর জামানায় শারীয়াতের মধ্যে বিদ’আত এর সৃষ্টি হয়নি কিন্তু তিনি আমাদের প্রত্যেকবার সতর্ক করে গেছেন। কেননা তাঁর মৃত্যুর পর বিদ’আতের আশংকা তিনি করতেন।

মা আয়েশা (রাঃ)হতে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (সঃ) বলেন,

“যে ব্যক্তি আমাদের শরীয়তের নামে এমন কিছু চালু করলো যা আর মধ্যে নেই তা প্রত্যাখ্যাত।” [বুখারি,মুসলিম,আলবানী,মিশকাত]

অপর দিকে তিনি জীবনের প্রত্যেক খুৎবার শুরুতে এই হাদিসটি বলেতেনঃ

“জেনে রেখ সর্বত্তোম কিতাব হল আল্লাহর কিতাব আর বিধান হল মুহাম্মাদ(সঃ) এর উপস্থাপিত জীবন ব্যবস্থা। অপরদিকে নিকৃষ্টতম কাজ হল নতুন আবিষ্কৃত মত, আর প্রত্যেক নতুন আবিষ্কৃত মতাদর্শই সুস্পষ্ট গোমরাহী, আর প্রত্যেক গোমরাহীর পরিনাম জাহান্নাম।”  [মুসলিম]

সুতরাং বিদ’আত একটি ধ্বংসাত্মক বিষয় যা মানুষের অগোচরে হয়ে যায়।

এছাড়া ও বিদা’আতের জন্য মুসলিম আজ দলে দলে বিভক্ত যার কথা রসুল(সঃ) ভবিষৎবানী করে গেছেন,

আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)এর একটি হাদিসের শেষাংশঃ

“বনী ইসরাইলীরা ৭২ দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল আর আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। তাদের মধ্যে একটি দল ছাড়া সব দলই হবে জাহান্নামী ।সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেনঃ সেই একটি দল কারা হে রাসুল(সাঃ)? তিনি বললেন , তারা হল সেই লোক যারা অনুসরণ করবে আমার ও আমার সাহাবীদের আদর্শ। ” [তিরমিযি]

রসুল(সাঃ)ধর্মীয় ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন বা অতিরঞ্জন করা থেকে সাবধান বা সতর্ক করেছেন এই বলে-

” খবরদার! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন বা অতিরঞ্জন করা থেকে বিরত থাকবে ! জেনে রাখো , তোমাদের পূর্ববর্তীগণ এই অতিরঞ্জন এর কারনে ধ্বংস হয়ে গেছে।” [মুসনাদ আহমাদ]

আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“তোমরা আমার প্রশংসায় সীমালঙ্ঘন করোনা। যেমন করে খ্রিস্টানরা ঈসা ইবনে মরিয়াম (আঃ)এর সীমালঙ্ঘন মূলক প্রশংসা করেছে।তোমরা বরং আমাকে বলবে আল্লাহ্‌র দাস ও রাসুল।” [বুখারি,মুসলিম]

যেকোনো মূল্যে থেকে বাঁচার নির্দেশঃ

ইরবায ইবনু সারিয়াহ(রাঃ)হতে বর্ণিত, রসুল্লুল্লাহ(সাঃ)বলেছেন,

“লোক সকল!তোমরা বিদআত থেকে বাঁচো।”

বিদআত একটি গোপন পাপঃ

বিদা’আত একটি গোপন পাপ এর অবস্থান ও সৃষ্টি মানুষেরর অবচেতন মনে হয়ে থাকে। একজন মানুষ যখন আমাল এর প্রতি বেশি অন্ধ ভালোবাসা ও সাওয়াবের আশায় মরিয়া হয়ে উঠে তখন সে যে কোন ইসলামীক বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে তাতে বারকাত ও সাওয়াব খুজতে থাকে। এক সময় শায়তানের ওয়াস ওয়াসা বা প্রবৃত্তির অনুসরন করে এমতবস্থায় সে আমালের পাশাপাশি আমালের বস্তু ও সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় কে শারীয়ার অন্তর্ভুক্ত মনে করে এবং বিদা’আত করে বসে।

আল্লাহ্‌ সুবাহানাহুয়াতাআলা বলেনঃ

فَإِن لَّمْ يَسْتَجِيبُوا لَكَ فَاعْلَمْ أَنَّمَا يَتَّبِعُونَ أَهْوَاءَهُمْ ۚ وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنِ اتَّبَعَ هَوَاهُ بِغَيْرِ هُدًى مِّنَ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

“সেই ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক গোমরাহ আর কে হতে পারে যে আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে কোন দলীল ব্যতিত স্বীয় নাফসের অনুসরন করে চলে।”   [সুরা ক্বাসাসঃ ৫০]

বিদআত এর উদাহরনঃ

আমাদের দেশে প্রচলিত কয়েকটি বিদ’আত এর মধ্যে ১ টি উদাহরন তুলে ধরা হচ্ছে।

মৃতের জন্য মৃত ব্যাক্তির জন্য- কুরআন পরা, কুলখানি, চল্লিশা, দুআর আয়োজন, সওয়াব বখশে দেয়া, কুরআন খানি ইত্যাদি। পাঠকবৃন্দ একটু ভেবে দেখুন,

রসুল(সঃ), সাহাবারা, তাবেয়ীরা, তাবেতাবেয়ীনরা বা কোন ইমাম তাদের সময়ে এসব করেছিলেন?? একটু ভেবে দেখলে বোঝা যায় যে, সমগ্র কুর’আন নাযিল হয়েছে ২৩ বৎসরে অথচ আমরা আর যে কুর’আন খানি করে সাওয়াব বখশে দিচ্ছি সেটা কি সাহাবাদের জন্য করা হত?? অথচ পুরো কুর’আন নাজিলের পুর্বে অনেক সাহাবারা শহীদ হয়েছেন, মারা গেছেন। তাহলে তারা কিভাবে কুর’আন খানি করে সাওয়াব বখশে দিবে্ন সেটা চিন্তার বিষয়। আবার যেখানে আয়েশা(রাঃ) থেকে জানা যায় রসুল(সঃ) মৃত্যুর পরে তার ঘরে একটানা মাস খানেক খাদ্য ছিলনা। তাহলে আমাদের প্রিয় রসুল(সঃ) এর চল্লিশা হওয়া কিভাবে সম্ভব? আর যদি তার চল্লিশা না হয় তাহলে আমারা সাধারন মানুষদের কিভাবে এটা করা উচিৎ?

কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তার মনগড়া বিশ্বাসে যুক্তিতে এসব নিসাব বানায়।

 বিদআতের ভয়ানক পরিনতিঃ

বিদ’আতের ভয়ানক পরিনতি রসুল(সঃ) এর কয়েকটি হাদিস দিয়ে সহজে বলা যায়।

১. লানতঃ যে ব্যক্তি স্বয়ং বিদআত করেঃ

আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“যে ব্যক্তি বিদআত সৃষ্টি করবে তার উপর আল্লাহ,ফেরেশতা এবং লোক সকলের অভিশাপ হবে।” (বুখারি,মুসলিম)

আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“যে ব্যক্তি কোন বিদআতিকে সাহায্য করে,আল্লাহ্‌ তাকে লানত করেন”  [মুসলিম]

২. গোমরাহীঃ আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“কোরআন নাযিল হল এবং রাসুল(সাঃ)সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত করলেন। অতপর বললেন,তোমরা তা অনুসরন কর। আল্লাহর কসম,যদি তা না কর,তবে তোমরা গোমরাহ হয়ে যাবে।” [মুসনাদ আহমাদ]

৩. জাহান্নামঃ রসুল(সাঃ)প্রত্যেক ভাষণের শুরুতে বলতেনঃ

জেনে রেখ!সর্বত্তম বানী হল আল্লাহ্‌র কিতাব।সর্বত্তম  বিধান হল মুহাম্মাদ (সাঃ) উপস্থাপিত জীবনব্যবস্থা। পক্ষান্তরে নিকৃসট্তম কর্ম হল নবাবিস্ক্রিত মতাদর্শ, আর প্রত্যেক নবাবিস্ক্রিত মতাদর্শই সুস্পট গোমরাহি। আর প্রত্যেক গোমরাহির পরিনাম জাহান্নাম।    [মুসলিম]

৪. ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাওয়াঃ আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“যে আমার সুন্নাত বিমুখ হবে অর্থাৎ সুন্নাতের অনুসরন করে চলবেনা,সে আমার উম্মাতের অন্তরভুক্ত নয়।” (বুখারি) 

৫. ধ্বংসঃ রসুল(সাঃ)ধর্মীয় ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন বা অতিরঞ্জন করা থেকে সাবধান বা সতর্ক করেছেন এই বলে-

” খবরদার! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন বা অতিরঞ্জন করা থেকে বিরত থাকবে ! জেনে রাখো , তোমাদের পূর্ববর্তীগণ এই অতিরঞ্জন এর কারনে ধ্বংস হয়ে গেছে।” [মুসনাদ আহমাদ]

আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“যে ব্যক্তি কোন বিদআতিকে আশ্রয় দিল সে ইসলাম ধ্বংস করার কাজে সাহায্য করল।” [বাইহাকি]

৬. শাফা’আত ও হাউজে কাওছার থেকে বঞ্চিতঃ আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“কিয়ামত দিবসে হাউযে কাউসারে আমি তোমাদের অগ্রগামী হব। যে আমার নিকট যাবে সে তা পান করবে,আর যে পান করবে সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবেনা । সেদিন আমার নিকট অনেক দল হাজির হবে। আমি তাদেরকে চিনবো এবং তারাও আমাকে চিনবে। অতঃপর তাদের ও আমার মধ্যে পর্দা পরে যাবে,আমি তখন বলব,তারা আমার উম্মত!তখন উত্তর হবে, তুমি জাননা যে, তোমার পরে তারা কি কি বিদআত কাজ করেছে। তখন আমি বলব,দুর হও!দূর হও! আমার সুন্নতে পরিবর্তন এনেছ।” [বুখারি,মুসলিম]

৭. আমাল বাতিলঃ আল্লাহ্‌র রসুল(সাঃ)বলেনঃ

“আল্লাহ্‌ তাআলা বিদআতি লোকের নেক আমল কবুল করেন না যতক্ষণ না সে ঐ বিদআত কাজ থেকে বিরত থাকে।”  [ তাবরানি (হাসান)]

মা আয়েশা (রাঃ)হতে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ)বলেন,

“যে ব্যক্তি আমাদের শরীয়তের নামে এমন কিছু চালু করলো যা আর মধ্যে নেই তা প্রত্যাখ্যাত।” [বুখারি,মুসলিম,আলবানী,মিশকাত]

উপসংহারঃ

সুতরাং সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌ বলেনঃ

“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, আর আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে মনোনীত করে রাযী হয়ে গেলাম।” [সূরা-মায়িদাহ-৩-৫]

কোরআন ও সুন্নাহর বাইরে এমন কিছু নেই যা দ্বীনের পরিপূর্ণতার জন্য সহায়ক হতে পারে ।মোটকথা ইসলাম এমন এক সুশৃঙ্খল কর্মপন্থা যা ব্যাতিরেকে অন্য কোন পথ অনুকরন ও অবলম্বনে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন করা অসম্ভব।

আফসোস! ঐ সমস্ত মানুষের উপর জন্য যারা নতুন আবিষ্কারকে ভাল বিষয় মনে করে একে ভালো কাজ মনে করে।আর তারা দ্বীনের পরিপূর্ণতাকে এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ্তা অন্ধকারময় বিদআত কাজের মধ্যে  হিদায়াত অনুসন্ধান করে ।