মাসায়েলে জাহিলিয়া দারস (ইসলাম ও জাহেলিয়াত এর দ্বন্দ)

মাসায়েলে জাহিলিয়াআবূ সুমাইয়া মতিউর রহমান

মাসায়েলে জাহিলিয়া দারস বিষয় সমূহে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাহেলী যুগের আরবদের এবং আহলে কিতাব ইয়াহুদী নাছারাদের বিরোধিতা করেছিলেন। নিম্নোক্ত বিষয়গুলি প্রত্যেক মুসলিমের জেনে রাখা অবশ্য প্রয়োজন। কেননা, বিপরীত বস্তু সম্পর্কে জানা থাকলেই কেবল আসল বস্তু চেনা সম্ভব হয়। তবে এখানে সর্বাপেক্ষা ভয়ের ব্যাপার যেটি, সেটি হলো সরাসরি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনীত দ্বীন সম্পর্কেই ঈমান না রাখা। আর ঐ সংগে যদি কেউ জাহেলিয়াতের দ্বীনকেই ভালবাসে এবং তার উপরেই ঈমান আনে, তাহলে তো ক্ষতির আর শেষ থাকে না। (আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন)। যেমন আল্লাহ স্বীয় পাক কালামে ইরশাদ করেন

وَالَّذِينَ آَمَنُوا بِالْبَاطِلِ وَكَفَرُوا بِاللَّهِ أُولَئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ . (سورة العنكبوت : ৫২)
‘যারা বাতিলের উপর ঈমান আনলো এবং আল্লাহর সাথে কুফরী করলো, তারাই সত্যিকারের ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সূরা আনকাবুত : ২৯ : আয়াত ৫২)

আর তাই আল্লাহর বিশুদ্ধ তাওহীদের দাওয়াতের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে শাইখ মুহাম্মাদ বিন সুলায়মান আত-তামিমি(রাহিমাহুল্লাহ) আল্লাহর তাওহীদের উপর এই অমূল্য গ্রন্থটি রচনা করেন। এতে লেখক (রাহিমাহুল্লাহ) তাওহীদের অর্থ ও ফাযিলত, তাওহীদের বিপরীত শিরক এর প্রকারভেদে এর ভয়াবহতা সহ আরো অনেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আর এরই ধারাবাহিক আলোচনা দেয়া হল অডিও রুপে।


পরের দারস সমুহঃ ৪৫-৯০ পরের দারস সমুহঃ ৯০-১২৮
মাসায়েলে জাহিলিয়া- দারস এর শুরু [MUST LISTEN] অধ্যায়-১ [ নেককার ব্যাক্তির দু’আর ওয়াসীলা ] অধ্যায়-২ [ এফতেরাক-অনৈক্য ]
অধ্যায়-৩ [ সরকারের বা শাসকের বিরোধিতা ] অধ্যায়-৪,৫ [ তাকলীদ-অন্ধ অনুসরন ] অধ্যায়-৬ [ বাপ-দাদার দোহাই ]
অধ্যায়-৭ [সমকালীন বুদ্ধিজীবিদের দোহাই] অধ্যায়-৮ [হক্বপন্থী দুর্বলদের অগ্রাহ্য করা] অধ্যায়-৯ [ফাসেক আলেম ও মূর্খ আবেদগনের অনুসরণ]
অধ্যায়-১০ [স্ব-বিবেক এর দোহাই দিয়ে দ্বীন মানা] অধ্যায়-১১,১২ [ কিয়াস বা যুক্তি ] অধ্যায়-১৩ [সৎ লোকদের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা]
অধ্যায়-১৪ [সত্যকে বর্জন ও অসত্যকে গ্রহন করা] অধ্যায়-১৫ [না বুঝার অজুহাত] অধ্যায়-১৬ [ যাদুর অলৌকিক ক্রিয়া কান্ডকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করা ]
অধ্যায়-১৭ [নাবীদের সাথে বাতিল কর্মের সংযুক্ত করা] অধ্যায়-১৮,১৯ [নাবীদের সাথে বাতিল বংশের সংযুক্ত করা] অধ্যায়-২০ [আউলিয়াদের কেরামাত- যাদু,সননা,গায়েব জানাকে দ্বীনদারী মনে করা]
অধ্যায়-২১ [আল্লাহর দ্বীন নিয়ে মজা করে খেলা করা **] অধ্যায়-২২ [হাতে তালি,শিষ,গান বাজনা করে এবাদাত করা] অধ্যায়-২৩ [অন্যের গরীবি দেখে সে হক্ব পথে নেই মনে করা ও তাদের বর্জন করা]
অধ্যায়-২৪,২৫ [দুর্বলেরা সত্য দ্বীন মানলে সেটা অস্বীকার করা] অধ্যায়-২৬ [আল্লাহর কালামের মুল বক্তব্য ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিকৃতি করা করা] অধ্যায়-২৭ [মনমত বই লিখে তা আল্লাহর নাম দিয়ে প্রকাশ করা]
অধ্যায়-২৮,২৯ [ভিন্ন জাতি থেকে দ্বীন গ্রহন না করা] অধ্যায়-৩০ [বিচ্ছিন্নবাদিতা] অধ্যায়-৩১ [হেদায়াত ছেড়ে দ্বীন বিরোধী পথে চলা]
অধ্যায়-৩২ [গোরামী করা অন্যের সত্যকে না মানা] অধ্যায়-৩৩ [দ্বীনকের স্বীকার করা কিন্তু দ্বীনের মধ্যে কিছু শারীয়াতকে অস্বীকার করা] অধ্যায়-৩৪ [সবাই নিজেকে হক্ব পথে মনে করা]
অধ্যায়-৩৫ [হারাম আক্বীদা ও আমাল দিয়ে আল্লাহর ইবাদাত করা] অধ্যায়-৩৬ [আল্লাহ নৈকট্য অর্জনের জন্য হালালকে হারাম করা] অধ্যায়-৩৭ [আহবার ও রুহবানদের অনুসরন***]
অধ্যায়-৩৮ [আল্লাহকে মেনেও তাঁর নামকে অস্বীকার করা] অধ্যায়-৩৯ [আল্লাহর নামের সিফাত ও তার অর্থ কে অস্বীকার করা] অধ্যায়-৪০ [আল্লাহকে নিয়ে বিতর্ক করে এক পর্যায়ে তাকে অস্বীকার করা]
অধ্যায়-৪১ [আল্লাহকে দুর্বল মনে করা বা দুর্বলতা যুক্ত করা] অধ্যায়-৪২ [আল্লাহর মুলুকিয়াতের মধ্যে শিরক করা-১] অধ্যায়-৪২ [আল্লাহর মুলুকিয়াতের মধ্যে শিরক করা-২(সাউদী রাষ্ট্র)]
অধ্যায়-৪৩ [তাকদীরকে অস্বীকার করা] অধ্যায়-৪৪ [তাকদীর নিয়ে ঝগড়া করা]
পরের দারস সমুহঃ ৪৫-৯০ পরের দারস সমুহঃ ৯০-১২৮