শিয়া ভ্রান্ত আক্বীদাঃ ৩ (ইয়াহুদি ও বারা ইমাম)

ইহুদী রাফেযী শিয়াদের মধ্যে মিল

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ্‌ রহ. বলেন, “ইহুদীদের সাথে রাফেযীদের সামঞ্জস্যতার কিছু উদাহরণ, ইহুদীদের দাবি, দাউদের বংশধর ব্যতীত রাজত্ব করা কারো জন্য শোভনীয় নয়। আর রাফেযী শিয়াদের দাবি, আলী রা.-র সন্তানগণ ব্যতীত কারো জন্য ইমামত বৈধ নয়।

ইহুদীরা বলে, মাসীহ দাজ্জালের আবির্ভাব ও তরবারী অবতীর্ণ ছাড়া জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ্‌ নেই। আর রাফেযীরা বলে, মাহদীর আগমন ও আসমানী আহব্বান ছাড়া জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ নেই।

ইহুদীরা আসমানে তারকারাজী উজ্জল না হওয়া পর্যন্ত সালাত বিলম্ব করে। অনুরূপভাবে রাফেযীরা মাগরিবের সালাত আসমানে তারকারাজী স্পষ্ট ও উজ্জল না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করে। অথচ হাদীসের ভাষ্য এর বিপরীত :

لا تزال أمتي على الفطرة ما لم يخروا المغرب إلى أن تشتبك النجوم.

“আমার উম্মত ইসলামী ফিৎরাতের উপরই বিদ্যমান থাকবে, যে পর্যন্ত না তারা মাগরিব সালাত আসমানে তারকারাজী স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করবে।”

ইহুদীরা তাওরাতে পরিবর্তন এনেছে আর রাফেযীরা কুরআন শরীফে পরিবর্তন করেছে।

ইহুদীরা মোজার উপরে মাসাহ্‌ করা বৈধ মনে করে না। অনুরূপভাবে রাফেযীরাও মোজার উপর মাসাহ্‌ করা বৈধ মনে করে না।

ইহুদীরা ফেরেশতাদের সাথে বিদ্বেষ পোষণ করে বলে, ফেরেশ্‌তাদের মধ্যে আমাদের শত্রু হচ্ছে জিবরীল, অনুরূপভাবে রাফেযীরা বলে, জিবরীল ভুল করে ওহী নাযিল করেছে মুহাম্মাদের উপর। [গুরাবিয়া নামক আরেকটি দল আছে তারা বলে যে, জিবরীল হচ্ছে, খেয়ানতকারী সে ওহী নাযিল করে মুহাম্মাদ সা. এর উপর অথচ রেসালাত পাওয়ার অধিক হকদার ছিল আলী ইবনে আবি তালেব। এ জন্যই তারা বলে, “খেয়ানত করেছে আমীন তথা জিবরীল আর হায়দার তথা আলীকে রেসালাত থেকে বঞ্চিত করেছে”। হে মুসলিম মিলাত! দেখুন কিভাবে তারা জিবরীল আমীন এর প্রতি খেয়ানতের অপবাদ দিচ্ছে অথচ আল্লাহ্‌ তাকে আমানতদারীর গুনে ভূষিত করেছেন। যেমন আল্লাহ্‌ বলেন, এটা নাযিল হয়েছে আমানতদার আত্নার মাধ্যমে।]

রাফেযীরা খৃষ্টানদের সাথেও বেশ কিছু বিষয়ে মিল রাখে। যেমন খৃষ্টানদের মেয়েদের বিবাহের ক্ষেত্রে মোহর নেই বরং যা দেয় তা ব্যবহারের বিনিময় হিসেবে দেয়। অর্থাৎ স্ত্রীর নিকট হতে যে ফায়েদা গ্রহণ করে তারই বিনিময় হিসেবে গণ্য। অনুরূপ রাফেযীরা মুত‘আহ্‌ বিবাহ (Contract marriage) বৈধ মনে করে এবং প্রদত্ত অর্থ বিনিময় মূল্য হিসেবে গণ্য করে, মোহর হিসেবে নয়।

ইহুদী ও খৃষ্টান জাতি রাফেযীদের থেকে দুটি বিষয়ে উৎকৃষ্ট। ইহুদীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তোমাদের ধর্মে কে উত্তম? তারা বলেছিল : মুসার সঙ্গী-সাথীরা। অনুরূপভাবে নাসারাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তোমাদের ধর্মে কে উত্তম? তারা বলেছিল : ঈসার শিষ্যরা। আর রাফেযীদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তোমাদের ধর্মে কারা সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তারা বলেছিল : মুহাম্মাদের সাহাবীগণ।”

শায়খ আব্দুল্লাহ্‌ আল-জুমাইলী “বাযলুল মাজহুদ ফী মুশাবিহাতির রাফেযাতে লিল ইহুদ” গ্রন্থে রাফেযী ও ইহুদীদের মধ্যে কতিপয় সাদৃশ্য উল্লেখ করেন, যেমন ইহুদ ও রাফেযীরা নিজেদের ছাড়া অন্যদের

কাফের বলে এবং তাদের রক্ত ও সম্পদ তথা জান ও মাল হালাল মনে করে। অতঃপর তিনি বলেন, ইহুদীরা মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করে, যথা: ইয়াহুদ ও উমামি। উমামিরা হচ্ছে, ঐ সমস্ত লোক যারা ইহুদী নয়। ইহুদীরা আরো বিশ্বাস করে যে, শুধুমাত্র তারাই মু‘মিন। আর তাদের নিকট উমামিরা হচ্ছে, কাফের মূর্তিপূজক আল্লাহ সম্পর্কে অজ্ঞ।

তালমুদ গ্রন্থে এসেছে যে, ইহুদীরা ব্যতীত সকল জাতি-ই মূর্তিপূজক। এমনকি ঈসা আ. ও তাদের এ কুফরী সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। তালমুদে তারা বলেছে, ‘ঈসা আ. কাফের, সে আল্লাহকে চেনে না।’ রাফেযীরা বলে মু‘মিন তথা ইহুদী ও তারা ব্যতীত অবশিষ্ট সকলে কাফের ও মুরতাদ। ইসলামে তাদের কোন অংশ নেই।

মুসলমানদেরকে কাফের বলার কারণ হচ্ছে এই যে, মুসলমানরা ‘বেলায়াত’ মানে না, অথচ রাফেযীরা এটাকে ইসলামের রোকন বলে বিশ্বাস করে। অতএব ‘বেলায়াত’ অস্বীকারকারীরা রাফেযীদের নিকট কাফের। তার কুফরী কালিমা শাহাদাত অথবা ইসলামের পাঁচ রুকনের কোন এক রুকন অস্বীকারকারীর ন্যায়। আর তাদের নিকট বেলায়াত ইসলামের সকল রুকনের উর্ধ্বে।

আল-বারকী আবু আব্দুল্লাহ্‌ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, “আমরা ও আমাদের শিয়ারা ব্যতীত আর কেউ মিল্লাতে ইবরাহীমের উপর প্রতিষ্ঠিত নেই অর্থাৎ শুধুমাত্র আমরাই মিল্লাতে ইবরাহীমের উপর প্রতিষ্ঠিত, আর সব মানুষ তা থেকে মুক্ত।”

আবু আব্দুল্লাহ সূত্রে তাফসীরে কুম্মীতে রয়েছে, তিনি বলেন, “আমরা ও ইহুদীরা ব্যতীত কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামের উপর আর কেউ নেই।”

ইমামদের ব্যাপারে রাফেযীদের বিশ্বাস

রাফেযীদের দাবী : ইমামগণ নিষ্পাপ, তারা গায়েব জানেন। আল-কুলাইনী “উসুলুল কাফী” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “ইমাম জাফার সাদেক বলেন, আমরা হলাম আল্লাহর ইলমের ভাণ্ডার। আমরা আল্লাহর নির্দেশাবলীর অনুবাদক। আমরা নিষ্পাপ কওম। আমাদের আনুগত্য করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং আমাদের ফরমানী থেকে নিষেধ করা হয়েছে। আসমানের নীচে ও যমীনের উপরে বিদ্যমান সকলের জন্য আমরা আল্লাহর পরিপূর্ণ হুজ্জাত তথা দলীল।”

উক্ত গ্রন্থের অনুচ্ছেদ “নিশ্চয় ইমামগণ যখন জানার ইচ্ছা করেন তখনই তারা তা জেনে যান”-এ জা‘ফার সূত্রে কুলাইনী উল্লেখ করেন, “নিশ্চয় একজন ইমাম যখন জানার ইচ্ছা করেন তখনই তিনি তা জেনে যান, আর ইমামগণ কখন মৃত্যু বরণ করবেন, তাও তারা জানেন, তারা নিজেদের ইচ্ছা ব্যতীত মৃত্যু বরণ করেন না।”

খুমাইনী “তাহরীরুল ওয়াসীলাহ্‌” গ্রন্থে বলেন, “নিশ্চয় ইমামের প্রশংসিত স্থান ও উচ্চ মর্যাদা রয়েছে। জগত পরিচালনার খেলাফতও তার উপর ন্যাস্ত। তার নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের প্রতি জগতের সব কিছুই অনুগত।”

তিনি আরো বলেন, “নিশ্চয় আমাদের বারো ইমামের সাথে আল্লাহর কিছু বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে। যা তার নৈকট্য লাভে ধন্য কোন ফেরেশ্‌তারও নেই। এমনকি কোন নবী রাসূলেরও নেই।”

রাফেযীরা তাদের ইমামদের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করে বলেছে যে, নবী মুহাম্মাদ ব্যতীত সকল নবীর চাইতে তাদের ইমামদের ফযিলত ও মর্যাদা বেশী। আল-মাজলেসী “মিরআতুল উকুল” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “ইমামগণ আমাদের নবী মুহাম্মাদ(সাঃ) ব্যতীত সকল নবীর চেয়ে উত্তম ও অধিক সম্মানের অধিকারী।”

ইমামদের ব্যাপারে রাফেযীদের সীমালঙ্ঘন এখানেই শেষ নয়, বরং তারা বলে, জগত পরিচালনার দায়িত্ব ইমামদের। আল খু-ই “মিসবাহুল ফুকাহা” গ্রন্থে বলেন, সমস্ত জগতের পরিচালার দায়িত্ব তাদের রয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই। বিভিন্ন সূত্র থেকে এরূপই প্রতীয়মান হয়। কারণ, তারাই হচ্ছেন সব কিছুর মিডিয়া অর্থাৎ তাদের দ্বারাই সব কিছুর অস্তিত্ব। তারাই সকল সৃষ্টির মূল কারণ। অতএব, যদি তারা না হতেন তাহলে কোন মানুষই সৃষ্টি হতো না। তাদের জন্যই সকল মানুষের সৃষ্টি। তাদের দ্বারাই সকলের অস্তিত্ব। এদের কারণেই সৃষ্টির শ্রীবৃদ্ধি। শুধু তা-ই নয় বরং সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত তাদের হাতেই রয়েছে সৃষ্টিজগত পরিচালনার কর্তৃত্ব। আর এ সব পরিচালনার কর্তৃত্ব্ব আল্লাহর কর্তৃত্বের ন্যায়।” আল্লাহ তাদের সীমালঙ্ঘন ও পদস্খলন থেকে আমাদের রক্ষা করুন। ইমামগণ কিভাবে এ সৃষ্টি জগতের অস্তিত্বের মিডিয়া বা মাধ্যম হতে পারেন? ইমামগণ কিভাবে এই সৃষ্টি জগতের অস্তিত্বের কারণ হতে পারেন? ইমামগণ কিভাবে মানুষ সৃষ্টির কারণ হতে পারেন? কিভাবে ইমামদের জন্য মানুষ সৃষ্টি হতে পারে? অথচ আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন,

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

“আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।” (সূরা আজ-জারিয়াত : ৫৬)

পবিত্র কুরআন ও সহীহ্‌ সুন্নাহ্‌ থেকে বিচ্যুত এরূপ ভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ঠ আক্বীদা থেকে মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি।

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ্‌ রহ্‌. বলেন, “রাফেযী শিয়ারা ধারণা করে যে, দীন তাদের পীর-পুরোহিতদের ইচ্ছার উপর ন্যাস্ত। তারা যা হালাল বলবে তাই হালাল। এবং তারা যা হারাম বলবে তাই হারাম। তারা যে বিধান রচনা করবে তাই শরীআত বলে গণ্য।”

সম্মানিত পাঠক! আলী রা. এর ব্যাপারে তাদের বাড়াবাড়ি, শিরক ও কুফরী সম্পর্কে যদি জানতে চান, তাহলে তাদের আধুনিককালের কবি শায়খ ইবরাহীম আল-আমলীর রচিত ছন্দগুলো পড়ুন :

হে আবু হাসান তুমিতো ইলাহের চক্ষু

এবং তাঁরই মহান কুদরতের ঠিকানা

তুমিতো অদৃশ্যের জ্ঞানের আয়ত্বকারী

তোমাকে ফাঁকি দিয়ে কেউ নিজেকে গোপন করতে পারে?

তুমি-ই সমস্ত জগতের পরিচালক

সৃষ্টি জগতের সাগর নালা তোমারই

তোমারই সব কর্তৃত্ব যদি চাও আগামী কাল জিন্দা করবে

নয়তবা মুখমন্ডলের সম্মুখ ভাগে হেঁচড়ে তুলবে।

আলী রা.- প্রশংসায় কবি আলী বিন সুলাইমান আল মাযিদী বলেন,

হে আবু হাসান তুমি কুমারীর স্বামী

ইলাহের পাঁজর ও রাসূলের আত্মা

পূর্ণিমার চন্দ্র ও উজ্জল সূর্য

রব্বের গোলাম এবং তুমি-ই মালিক

গাদীর দিনে রাসূল তোমাকেই ডেকেছে

গাদির দিনের বিষয়টি তোমার উপরই অর্পিত

কেননা তুমি-ই মু‘মিনদের আমীর

তার ওলীর হার তোমাকেই পরিয়েছে

সমস্ত বিষয় তোমার জন্যই হয়

তুমি-ই অন্তরের সমস্ত ভেদ জানো

কবরস্থিত সব কিছু তুমি-ই পুনরুত্থানকারী

কিয়ামতে হুকুম পরিচালনার দায়িত্ব

তুমি-ই সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।

তুমি না হলে একটি তারকাও চলত না

কোন গ্রহ ও কক্ষপথ হত না।

তুমি-ই সকল স্থল ভূমি সম্পর্কে জ্ঞাত

তুমি-ই গুহাবাসীদের সাথে কথোপকথনকারী

তুমি না হলে মুসা কালিমুলাহ্‌ হতো না

তারই প্রশংসা যিনি তোমাকে রূপ দিয়েছেন।

তোমার নামের রহস্য বিশ্ববাসী অচিরেই দেখবে

তোমার ভালবাসা কপালের উপর উজ্জল সূর্যের ন্যায়

তোমার প্রতি বিদ্বেষ, বিদ্বেষকারীদের মুখমন্ডলে

আলকাতরার ন্যায়, তোমার বিদ্বেষকারীর সফলতা নেই।

যা ছিল, যা হবে

যত নবী ও রাসূল

লওহ কলম যত জ্ঞানী গুনি

সবই তোমার বান্দা সবই তোমার গোলাম।

হে আবু হাসান সৃষ্টির পরিচালনাকারী

তিরস্কৃতদের আশ্রয়স্থল ও প্রতিনিধি দলের ঠিকানা

কিয়ামত দিবসে তোমার আশেকদের শারাবদাতা

তোমাকে অস্বীকারকারী পুনরুত্থানে অস্বীকারকারী

হে আলী ফখরকারী আবু হাসান

তোমাকে নেতা মানাই আমার কবরে উজ্জল মিনার

তোমার নামই আমার দুরাবস্থায় বাঁচার আঁধার।

তোমার ভালবাসা-ই আমাকে তোমার জান্নাতে প্রবেশকারী

যখন জলিল-কদর ইলাহের নির্দেশ আসে

ঘোষণাকারী ঘোষণা দেয় পরকালে পাড়ি, পরকালে পাড়ি,

যে তোমার নামে স্বাদ গ্রহণ করে তাকে কিভাবে দিবে ছাড়ি?

যে ব্যক্তি ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে সে কি কখনো এরূপ কবিতা আবৃত করতে পারে? আল্লাহর কসম! জাহেলী যুগের লোকেরা পর্যন্ত এই হতভাগ্য রাফেযীর ন্যায় এরূপ শিরক, কুফর ও ভালবাসায় সীমালঙ্ঘন করেনি। আল্লাহ তাআলা বলেন :

فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا ♦ الكهف: ١١٠

“… যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের আশা করে, সে যেন সৎ আমল করে আর তার প্রতিপালকের ইবাদাতে কাউকে শরীক না করে।” (সূরা আল কাহাফ : ১১০)

 

 

পুর্ববর্তী অধ্যায়ঃ

◄শিয়া ভ্রান্ত আক্বীদাঃ ২ (৯০ পারা কুরআন ও সাহাবা)

পরবর্তী অধ্যায়ঃ

শিয়া ভ্রান্ত আক্বীদাঃ ৪ (পুনর্জম্ম ও তুকাইয়া)